শিরোনাম
ন্যায়বিচার পেতে আমাকে ক্ষমতায় আসতে হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী নরসিংদীতে বাস-কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ চাঁনমারী এলাকার কিশোর গ্যাং আশিক গ্রুপের দু’সদস্যসহ গ্রেফতার ৫ ফকিরহাটে ২৪ কেজি গাঁজা ও ৩৬০ পিস ইয়াবাসহ চার মাদক কারবারি গ্রেফতার নগরীতে শতাধিক ক্ষুদে শিক্ষার্থীকে বিদ্যাবন্ধু’র শিক্ষা উপকরণ বিতরণ  বাগেরহাটে অগ্নিকাণ্ডে কিশোরের মৃত্যু রামপালে যুবককে মারপিট, টাকা-স্বর্ণের চেইন ছিনতাইের অভিযোগ শিশুর শ্লীলতাহানীর অভিযোগে মামলা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি আশাশুনিতে পিকআপ-ইজিবাইক সংঘর্ষে দুই নারী হজ্বযাত্রী নিহত ইউরোপীয়রা জানতো, নির্বাচনে আমিই জিতব : প্রধানমন্ত্রী

হরতাল-অবরোধের পাশাপাশি নতুন কর্মসূচি দেবে বিএনপি

খুলনার চিত্র ডেস্কঃ
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৩

বিএনপি নেতাকর্মীদের জন্য ২৮ অক্টোবরের সকালটা একরকম ছিল, বিকেলটা ঠিক তার বিপরীত। উৎসাহ-উদ্দীপনার বদলে হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরতে হয়েছে হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে। মহাসমাবেশে হামলার অভিযোগে পরদিন হরতাল ডাকে বিএনপি। শুক্র-শনি আর মাঝে একদিন বিরতি দিয়ে প্রায় মাসজুড়েই চলছে হরতাল-অবরোধ। কিন্তু এরপর কী করবে বিএনপি?

দলটি বলছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সরকার পতনের আন্দোলন চালিয়ে যাবে তারা। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে কৌশল বদলাবে, আন্দোলনের তীব্রতা বাড়বে। বিএনপি’সহ সমমনা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতারা বলছেন, হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি দীর্ঘমেয়াদি হবে। আসতে পারে- ইসি কিংবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও করার মতো কর্মসূচিও।

বিষয়টি নিয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, সরকার কী করলো, কী করলো না এটা কোনো ব্যাপার না। সরকারকে নিয়ে জনগণের কোনো উৎসাহ নেই বরং জনগণ আন্দোলন চালিয়ে যাবে। নির্বাচন নিয়ে সরকারের যে ষড়যন্ত্র সেটি সাধারণ মানুষ ধূলিসাৎ করে দেবে।

চলমান রাজনীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিরোধী দল কে হবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হচ্ছে। সবাই গিয়ে দাবি জানাচ্ছে- আমাকে বিরোধী দল করেন। এমনভাবে চলতে পারে কখনও? সূর্য যেমন পশ্চিম দিকে ওঠা সম্ভব নয়, তেমনি বর্তমান সরকারের অধীনেও সুষ্ঠু নির্বাচনও অসম্ভব।

এদিকে, দাবি আদায়ে বিএনপির সঙ্গে রাজপথে আছে সমমনা বিভিন্ন দল ও জোট। কর্মসূচির সমর্থনে মিছিল-মিটিংও করছেন তারা। এভাবেই চলবে? নাকি অন্য কিছু ভাবছেন জোট নেতারা।

বিষয়টি নিয়ে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আন্দোলনের যেখানে যেখানে যতি (থামতে হয়) পড়তে পারে, সেসব জায়গায় আমরা সহায়ক কর্মসূচি নিচ্ছি। এর মধ্যে গানের মিছিল করা কিংবা পেশাজীবীদের সমাবেশ, এমন বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি আসবে। কারণ মানুষ ক্ষুব্ধ।

জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বলেন, নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করবো। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সচিবালয় ঘেরাও করবো। যতোদিন পর্যন্ত সরকার আমাদের দাবি-দাওয়া না মেনে নেবে, ততোদিন পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। সামনে কঠিন থেকে আরও কঠিনতর আন্দোলন হবে।

তবে আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যেই ছুটে চলছে নির্বাচনী ট্রেন। ফলে পরিস্থিতি কি আরও জটিল হচ্ছে বিরোধী জোটের জন্য, এমন প্রশ্নে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, রাজনৈতিকভাবে এই নির্বাচন প্রক্রিয়া পরাস্ত হয়েছে। নির্বাচন তো হচ্ছে না, নির্বাচনের নামে একটি নাটক মঞ্চস্থ করা হচ্ছে।

বিএনপি ও জোট নেতাদের দাবি, সরকার যতোই হার্ডলাইনে থাকুক, এভাবে নির্বাচন করে দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্যতা পাবে না সরকার।

সংশ্লিষ্ঠ আরও খবর