সোনালী আঁশ: বঙ্গবন্ধু থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

লেখক : মো: আশরাফুল ইসলাম
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০

বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল পাট। পাটের উপযোগিতা এবং কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর অবদানের স্বাকৃতি হিসেবে এক সময় পাটকে সোনালী আঁশ হিসেবে অভিহিত করা হয়। বিশ্ববাজারে এদেশের পাট ও পাটজাত দ্রব্যের একক আধিপত্য ছিল। ১৯৫২-৫৩ সালে পাকিস্তানের অর্জিত মোট বৈদেশিক মুদ্রার মাত্র ০.২% ছিল পাটজাত দ্রব্য সামগ্রী রপ্তানি থেকে। ১৯৬৯-৭০ সালে এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৪৬%। তাই ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার পঞ্চম দফা ছিল প্রদেশগুলো নিজেদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার মালিক হবে এবং এর নির্ধারিত অংশ তারা দেবে। অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তানের পাট থেকে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার ন্যায্য দাবি উত্থাপিত হয়েছে এতে।

স্বাধীনতা পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্টারপ্রাইজ (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২ (পিও-২৭) এর আওতায় দেশের বিভিন্ন খাতের সব শিল্প-কারখানা জাতীয়করণ করেন। সকল জাতীয়করণকৃত মিলগুলির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বিভিন্ন কর্পোরেশন বা সংস্থাকে দেয়া হয় এবং বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনকে (বিজেএমসি) পাটকলগুলির পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ২৯৭ একর জমির ওপর ১৯৫০ সালে আদমজী জুট মিলের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং পরবর্তী বছরের ১২ ডিসেম্বর মিলটি উৎপাদন শুরু করে। আদমজী জুট মিল এক সময় সারা বিশ্বে একটি ব্র্যান্ডে পরিণত হয়। আদমজী জুট মিল্স তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তানের ২য় পাট কল (প্রথমটি হল বাওয়া পাট কল)। পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানের বাংলাদেশ) এর উন্নতমানের পাট ব্যবহার করে আদমজী পাট কলে বিভিন্ন পাটজাত দ্রব্য প্রস্তুত করা হত। এটিকে এক সময় বলা হত প্রাচ্যের ডান্ডি (স্কটল্যান্ডের ডান্ডির নামানুসারে)। ১৯৭০ এর দশকে প্লাস্টিক ও পলিথিন পাটতন্তুর বিকল্প হিসাবে আত্মপ্রকাশ করলে আদমজী পাট কলের স্বর্ণযুগের অবসান হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে এটিকে জাতীয়করণ করা হয়। নারায়ণগঞ্জের পাশাপাশি খুলনার খালিশপুর ও দৌলতপুর হয়ে উঠেছিল পাটশিল্পের অন্যতম কেন্দ্র। কর্মসংস্থান সংকুলান এবং দেশের অর্খনীতিতে পাট শিল্পের মতো একটি সচল এবং সম্ভাবনাময় খাতকে আরো বেগমান এবং লাভজনক করতে স্বাধীনতার পর পরই বঙ্গবন্ধু এ সেক্টরকে বিশেষ গুরুত্ব দেন। স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়ে যুগ যুগ ধরে পাট উত্পাদনকারী বাংলার কৃষকরা পাটের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে। অপর দিকে পূর্ব পাকিস্তানের পাটশিল্প থেকে অর্জতি আয় ব্যয় হতে থাকে পশ্চিম পাকিস্থানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে। তাই স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু পাটশিল্পের উন্নয়নে পঞ্চবার্ষিক (১৯৭৩-৭৮) পরিকল্পনার উদ্যোগ নিয়েছিলেন । তার শাসনামলে সাতটি পাটকলের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে পুরনো কারখানাগুলো ব্যালান্সিং, মডার্নাইজেশন, রিনোভেশন অ্যান্ড এক্সপানশন (বিএমআরআই) করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তিনি।

যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে নানাবিধ প্রতিকূলতা এবং সীমিত সাধ্যের মধ্যে বঙ্গবন্ধু পাট খাতসহ সবক্ষেত্রে যে উন্নয়ন প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছিলেন, তা প্রশংসার দাবিদার। এ সময় দেশে ৮৭টি পাটকল চালু ছিল। তার শাসনামলে ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রফতানি আয় ছিল ৩৪ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। এর মধ্যে শুধু কাঁচা পাট ও পাটজাত দ্রব্য রফতানি করে আয় হয়েছে ৩১ কোটি ৩১ লাখ ডলার। অর্থাৎ মোট রফতানি আয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ এসেছে পাট থেকে।

১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরই) প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিজেএমসি বর্তমানে জনবলের দিক থেকে দেশের সর্ববৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এ সংস্থার প্রায় ৭০ হাজার শ্রমিক এবং ৫ হাজার ৫০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী সরাসরি নিযুক্ত রয়েছে। পরোক্ষভাবে তাদের মাধ্যমে প্রায় ৬০ লাখ কৃষি পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এদেশের পাঁচ কোটিরও অধিক সংখ্যক মানুষ পাট ও পাটশিল্পের ওপর নির্ভরশীল।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর পাট খাতে নেমে আসে ভয়াভহ বিপর্যয়। লোকসানের কারণ দেখিয়ে নামমাত্র মূ্ল্েয ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেয়ার নামে পাট শিল্পকে ধ্বংসের মুখে ফেলে দেওয়া হয়। বিকল্প হিসেবে সিনথেটিক পণ্যের ছড়াছড়ির কারণে বাংলাদেশের পাট হারিয়েছে তার গৌরব। পঁচাত্তর পরবর্তী ক্ষমতায় থাকা স্বাধীনতা বিরোধী বিভিন্ন সরকার পাটশিল্পকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে বিএনপি যতোবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকেছে পাটশিল্পকে অবহেলিত রেখে, কখনো কখনো সুপরিকল্পিতভাবে এটিকে একটি চরম লোকসানী খাতে পরিণত করেছে। শ্রমিকদের স্বার্থ দেখার পরিবর্তে তারা একের পর এক পাটকল বন্ধ করে দিতে থাকে বা ব্যক্তি মালিকানায় দিয়ে দিতে থাকে। তাই প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছরের মধ্যে ৪৪ বছরই লোকসানে ছিলো বিজেএমসি। প্রথম পাঁচসালা (৭৩-৭৮) ও পরবর্তী সময়ে দুইসালা পরিকল্পনা (৭৯-৮০) শেষে ৮০’র দশক থেকে আবারও পাটশিল্পকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৯৮২-৮৫ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের মাধ্যমে কাঠামোগত সংস্কার কর্মসূচি Structural Adjustment Programme (SAP)-এর আওতায় অনেক মিল বিরাষ্ট্রীয়করণ করে মুনাফা অর্জনের সুখস্বপ্ন দেখালেও ফলাফল আরও নাজুক হয়ে পড়ে। ১৯৯৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি Jute Sector Adjustment Credit-এর আওতায় বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের চুক্তি হয়। ১২ এপ্রিল ১৯৯৪-এ প্রকল্পের একটি কর্মশালায় তৎকালীন পাটমন্ত্রী, বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি এবং পাটসচিব রাষ্ট্রীয় পাটশিল্পের ‘স্থূল শরীরকে’ ‘একহারা’ করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন এবং ৬৯৭ কোটি ৩৭.৫০ লাখ টাকা ব্যয়সাপেক্ষে বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি নিম্নোক্ত কর্মসূচির ঘোষণা দেন-

১. রাষ্ট্রীয় খাতের অবশিষ্ট ২৯টি মিলের মধ্যে ৯টি মিল বন্ধ এবং ২টি বৃহৎ মিলের তাঁতসংখ্যা হ্রাস করা।
২. মিলের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বাকি ২০টির মধ্যে অন্তত ১৮টি মিল ব্যক্তি খাতে ছেড়ে দেয়া।
৩. মজুরি খরচ কমানোর লক্ষ্যে ১৯৯৪ সালের মধ্যে ২০ হাজার শ্রমিক ছাঁটাই করা।
৪. উৎপাদন হার সুষম করার জন্য বিজেএমসি চালিত ১৫ হাজার ৮০০ তাঁতের মধ্যে ১১ হাজার ৮০০ তাঁত বিলুপ্ত করা; এর ফলে মাত্র ৪ হাজার তাঁত অবশিষ্ট থাকবে।
৫. ৯০০ মিলিয়ন ডলার বা তৎকালীন ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার পুরনো ব্যাংকঋণ পুনর্বিন্যাস করে মিলের জন্য চলতি মূলধনের ব্যবস্থা করা।
৬. ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের রিট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা রাখা।
৭. পাট খাতকে সরকারি হস্তক্ষেপ থেকে দূরে রাখা।

মূলত এ কর্মসূচির মাধ্যমে পাটশিল্পের মৃত্যুঘণ্টা বেজে ওঠে। শিল্পঋণের নামে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের পাটশিল্পকে ধ্বংস করে। সরকারি পাটখাতে লোকবল নিয়োগ বন্ধ করে বংশধরের অভাবে যেমন বংশ নির্বংশ হয়; তদ্রুপ জনবলের অভাবেও বিজেএমসি তথা সরকারি পাটশিল্প বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। আর যেসব মিল বিশ্বব্যাংকের পরামর্শে বেসরকারিকরণ করা হয়, তার সিংহভাগই আলোর মুখ দেখেনি; বরং এর মেশিনারি বিক্রি শেষে জায়গা নিয়েও ভিন্ন ব্যবসা করা হয়েছে।

বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাটখাতের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে তিনি সরকারী পাটকলগুলোর সমস্যার সমাধান এবং বিএনপি জোট সরকারের আমলে বন্ধ পাটকলগুলি পুনরায় চালু করার প্রতিশ্রুতি দেন। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে পাটশিল্প নতুন করে প্রাণ পেতে শুরু করে। ২০১১ সালে চালু হয় পিপলস জুটমিল (বর্তমান খালিশপুর জুট মিলস) এবং দৌলতপুর জুটমিল সহ বিএনপি জোট সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে যাওয়া পাঁচটি জুটমিল। নিয়োগ দেয়া হয় লোকবল, চালু করা হয় বন্ধ বেশ কয়েকটি মিল-কারখানা, কর্মসংস্থান হয় বৃহৎ একটা জনগোষ্ঠীর, পাটচাষীরা ন্যায্যমূল্য পেয়ে পাটচাষে আগ্রহী হয়ে পাটচাষ বৃদ্ধি করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাটশিল্পকে উজ্জীবিত করতে ২০১৬ সালে ৬ই মার্চ দিনটিকে (তাৎপর্যপূর্ণভাবে ৭ই মার্চের আগের দিনটি) জাতীয় পাট দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন এবং ঐ দিন পাটকল শ্রমিকদের জন্য বিরিয়ানি ভোজের আয়োজন করেন। দীর্ঘদিন ধরে পুঞ্জীভূত সমস্যাগুলি দূর করে সরকারী পাটকলগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে তিনি আন্তরিক ভাবে চেষ্টা করেছেন এবং এখনো চেষ্টা করে চলেছেন। সরকারী পাটকলগুলির সমস্যা সমাধানের জন্য এ পর্যন্ত প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার।

কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অনিয়ম, অদক্ষতা, ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু স্বার্থান্বেষী অসৎ ব্যবসায়ীর কারণে মিলগুলু কিছুতেই লাভের মুখ দেখছিলো না। পাটকলগুলি বন্ধ থাকলে যে পরিমাণ ক্ষতি হয় চালু থাকলে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হয়। তাই সরকারী পাটশিল্পকে কীভাবে প্রতিযোগিতায় আনা যায় এবং কীভাবে শক্তিশালী করা যায়, সে বিবেচনা থেকেই গত ১ লা জুলাই থেকে পাটকলগুলি বন্ধ করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেয়া হয় শ্রমিকদের সব পাওনা মেটানোর। সরকারের লক্ষ্য পাটকলগুলোর সংস্কার ও আধুনিকায়ন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু পাটের জন্য আন্দোলন করেছেন, সুতরাং পাটকে আমাদের রাখতে হবে। বিজেএমসির পরিচালিত রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর আধুনিকায়ন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একে আরও সক্ষম করে গড়ে তুলতে উৎপাদন বন্ধ করে শ্রমিকদের এককালীন পাওনা পরিশোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনাও দিয়েছেন, যে পাটকলগুলো বন্ধ আছে, সেগুলো কীভাবে চালু করা যায় এবং সেগুলো যাতে বর্তমান এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারে। এ সংক্রান্ত একটি কর্মপন্থা প্রস্তুত করে অতি দ্রুত তার কাছে নিয়ে আসার জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৫ সালের সর্বশেষ মজুরি কাঠামো অনুযায়ী পাটকলগুলোর ২৫ হাজার শ্রমিককে তাদের অবসরকালীন সুবিধাসহ পাওনা পরিশোধ বাবদ সরকারের ৫০০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। পাটখাতের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নজর রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর দর্শন হচ্ছে পাটকল শ্রমিকদের বাঁচানো। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী ইতোপূর্বে পাটের জন্মরহস্য উন্মোচনের জন্য গবেষণা খাতে অর্থায়ন করেছিলেন এবং পাটের বহুমুখী ব্যবহারের ওপর বিশেষ নজর দেন। প্রধানমন্ত্রী বন্ধের সিদ্ধান্ত দেওয়ার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

অবসরভোগীদের টাকা আগামী সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই নিজ নিজ ব্যাংক একাউন্টে চলে যাবে। এখানে কাউকে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে না এবং পরবর্তীতে এ কারখানাগুলো পুনরায় চালু হলে নিয়োগের ক্ষেত্রে বর্তমান শ্রমিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তের ফলে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের স্বার্থ বাঁচানোর জন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

লেখক : মো: আশরাফুল ইসলাম
সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ

সংশ্লিষ্ঠ আরও খবর