আজ || শনিবার, ১৫ Jun ২০২৪
শিরোনাম :
  খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ইদজামাত আয়োজনের প্রস্তুতি পরিদর্শনে সিটি মেয়র       খুলনায় ঈদের প্রধান জামাত সার্কিট হাউজ মাঠে সকাল ৮টায়       পুত্রবধূর সঙ্গে ঝগড়া করে পুকুরে পড়ে শাশুড়ির মৃত্যু       নিউজিল্যান্ডকে বিপদে ফেলে সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ       নগরীতে ইজিবাইক চালক রায়হান হত্যাকান্ডের মূল রহস্য উন্মোচন : দুই ঘাতক গ্রেফতার       নাড়ির টানে ঘরে ফিরছে মানুষ       যশোরে আইনজীবীর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেত্রীর শ্লীলতাহানির মামলা       স্বাভাবিক জীবনে আসা বনদস্যুদের মাঝে র‌্যাবের ঈদ সামগ্রী বিতরণ       ঘুমন্ত মায়ের কোল থেকে শিশু চুরির অভিযোগ       এই সংগ্রাম দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার : মির্জা ফখরুল    
 


সাতক্ষীরা চা শ্রমিক মালিক সমিতি’র আলোচনা সভা

সাতক্ষীরা চা শ্রমিক মালিক সমিতি’র এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় পলাশপোলস্থ শহরের চৌধুরী মার্কেটে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

চা শ্রমিক মালিক হযরত আলী শাহাজী এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাড. ফাইমুল হক কিসলু, সাপ্তাহিক সূর্যের আলো পত্রিকার চীফ রিপোর্টার মুনসুর রহমান। চা শ্রমিক মালিক শেখ ফিরোজ হোসেন সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন চা শ্রমিক মালিক নুর মোহাম্মাদ, নয়ন সরদার, রাজু হোসেন ও জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমূখ। সভা শেষে সকলের সম্মতিতে হযরত আলী শাহাজকে আহবায়ক ও শেখ ফিরোজ হোসেনকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট সাতক্ষীরা চা শ্রমিক মালিক সমিতি’র কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- নুর মোহাম্মাদ, নয়ন সরদার, রাজু হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন ও কাজী আব্দুল কুদ্দুস।

সভায় বক্তারা বলেন, সকল কাজ শ্রমিক ব্যতীত করা অসম্ভব হলেও সর্বসময়ে বঞ্চিত থাকেন তারা। কিন্তু দুর্যোগময় পরিস্থিতিতেও চা মালিক শ্রমিকদের পাশে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা দাঁড়াতে চায় না। তাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এই চা মালিক শ্রমিকরা ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও সকল শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন। আগামী ৩ মাসের মধ্যে শহরের সকল চা মালিক শ্রমিকদের সাথে আলোচনা করে পূনাঙ্গ কমিটি করবেন, সেই প্রত্যাশা করেন বক্তারা।

বক্তারা আরও বলেন, এখন বিশ্বময় করোনাকাল চলমান। এই সময়েও চায়ের দোকান খুলতে না পেরে সাতক্ষীরা শহরে প্রায় ২৪০০ চা মালিক শ্রমিক কর্মহীন। প্রায় দেড় মাস অঘোষিত লকডাউন থাকায় চায়ের দোকান পরিচালনা করতে না পেরে স্ত্রী-পরিজন নিয়ে দুর্বিষহ জীবন যাপন করেছেন এসব শ্রমিকরা। ওই চা মালিক শ্রমিকদের ওপর তাদের পরিবারের প্রায় ১০ হাজার সদস্য নির্ভরশীল। এমন পরিস্থিতে করোনা মোকাবিলায় ঘর থেকে বাইরে যেতে বিধি নিষেধ আরোপ করেছে সরকার। সে মোতাবেক তারা ঘরে থাকলেও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত চা মালিক শ্রমিকরা। তাদের সেই অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা।


Top