তারেক রহমানের নেতৃত্বেই দেশে আবারো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে : বকুল

খুলনার চিত্র ডেস্কঃ
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২১

বাংলাদেশে যতবারই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়েছে ততবারই বিএনপির নেতৃত্বে এদেশ আবার ঘুরে দাড়িয়েছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা, ৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাকশাল পতনের উত্তাল মুহূর্ত, ৯০’ এর স্বৈরাচার এরশাদের পতন সবই এসেছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবিসাংবাদিত নেতৃত্বে। এই স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বেই অচিরেই হবে ইনশাআল্লাহ। এদেশের ১৬ কোটি জনগণের লুপ্ত গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দায়বদ্ধতা বিএনপিরই এবং দেশের মানুষ বিএনপির দিকেই তাকিয়ে আছে। তাই সকল ভেদাভেদ ভুলে জনগণের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার লক্ষে এবং আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার লক্ষে আগামী দিনের আন্দোলন সংগ্রামে সেচ্ছাসেবক দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে দৃড় সংকল্পে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।

রবিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানার অন্তর্গত ৫নং ওয়ার্ডের মতিউর রহমান অডিটোরিয়ামে দৌলতপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান কালে এসব কথা বলেন সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি আরো বলেন, খুলনার মাটিতে সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে দৌলতপুর থানা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সবসময়ই অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। আগামী দিনে রাজপথের সকল আন্দোলন সংগ্রামে তিনি তাদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন।

এর আগে সকাল ১১টায় বিএনপি নেতা রকিবুল ইসলাম বকুলের সার্বিক সহযোগিতায় এবং আড়ংঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতলুবুর রহমান মিতুলের তত্বাবধানে একজন অসহায় দরিদ্র ভ্যানচালক কে একটি নতুন ইঞ্জিনচালিত ভ্যান প্রদান করা হয়। কর্মী সভা শেষে দুপুর ২টায় তিনি সড়ক দূর্ঘটনায় আহত খুলনা মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি কাজী নেহিবুল হাসান নেহিমের শারিরীক অবস্থার খবর নেওয়ার জন্য তার বাসায় ছুটে যান।

দৌলতপুর থানা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং থানা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আল আমিন সরদার রতনের সঞ্চালনায় উক্ত কর্মী সভায় উদ্ধোধন করেন কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এবং খুলনা মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি একরামুল হক হেলাল।

এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের খুলনা বিভাগীয় সহ সভাপতি এবং খুলনা জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি তৈয়বুর রহমান।

উক্ত কর্মীস ভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর বিএনপি নেতাঃ এম মুর্শিদ কামাল, আজিজুল হাসান দুলু, মাহবুব হাসান পিয়ারু, এহতেশামুল হক শাওন, শেখ শাদী, মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, আব্দুল আজিজ সুমন, শামীম কবির, চৌধুরী নাজমুল হুদা সাগর, ইবাদুল হক রুবায়েত, মোঃ ইনাম হোসেন, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, ইস্তিয়াক আহমেদ ইস্তি, মতলুবুর রহমান মিতুল, সরদার আরব আলী প্রমুখ।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেনঃ ফারুক হিল্টন, আতাউর রহমান রুনু, শেখ জাকির হোসেন, আনোয়ার হোসেন আনো, ইউসুফ মোল্লা, মুন্তাসির আল মামুন, তাজিম বিশ্বাস, খায়রুজ্জামান সজীব, জাহিদুল ইসলাম বাচ্চু, কামরুল ইসলাম, আলাউদ্দিন তালুকদার, মোঃ বিল্লাল হোসেন, এম এম শফি, এম এম জসিম, ওয়াহিদুজ্জামান রনি, শেখ নাজিম, আলামিন লিটন, শাহজাহান বাদশাহ, সাজ্জাদ হোসেন, বাহারুল ইসলাম, বাবুল সরদার, মানিক সরদার, হাবিবুর রহমান, আরমান মোল্লা, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

সম্মানীত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পার্থদেব মণ্ডল, সহ-সভাপতি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল, ফিরোজ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক, মাগুরা জেলা যুবদল, শামসুদ্দিন চৌধুরী সানিন, সদস্য সচিব, রাবি ছাত্রদল।

এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনঃ কাজী মিজানুর রহমান, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, আবু সাইদ হাওলাদার আব্বাস, সোহাগ মোল্লা, আয়ন খান, সাবেক ভিপি রুবায়েত হোসেন বাবু, সুলতান মাহমুদ, নুুরুজ্জামান নিশাত, ইঞ্জিঃ নুরুল ইসলাম বাচ্চু, বোরহান উদ্দিন সেতু, হেলাল আহমেদ সুমন, রবিউল ইসলাম রুবেল, রিয়াজ শাহেদ, সোহেল মোল্লা, মাহবুব মোল্লা, হায়দার আলী বাবু, সামদানী মোল্লা, আব্দুল হান্নান, নারায়ন মিশ্র, সাদীর মোল্লা, আশরাফ মোল্লা, মোঃ সুজন, কবির, মনির হোসেন, সোহেল, সুমন খান, মিজানুর রহমান মৃদুল, মিজানুর রহমান মিজান, মেহেদী হাসান, রবিউল ইসলাম, এহসানুল হক শিথীল, শোভন শেখ, নিঘাত সীমা, রাবেয়া বেগম, কনা সুলতানা, মদিনা বেগম, সালমা বেগম প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ঠ আরও খবর