আজ || বুধবার, ১৯ Jun ২০২৪
শিরোনাম :
  ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের আহবানে রাজা তৃতীয় চার্লসের জন্মদিন উদযাপন করলেন টমি মিয়া       খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ইদজামাত আয়োজনের প্রস্তুতি পরিদর্শনে সিটি মেয়র       খুলনায় ঈদের প্রধান জামাত সার্কিট হাউজ মাঠে সকাল ৮টায়       পুত্রবধূর সঙ্গে ঝগড়া করে পুকুরে পড়ে শাশুড়ির মৃত্যু       নিউজিল্যান্ডকে বিপদে ফেলে সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ       নগরীতে ইজিবাইক চালক রায়হান হত্যাকান্ডের মূল রহস্য উন্মোচন : দুই ঘাতক গ্রেফতার       নাড়ির টানে ঘরে ফিরছে মানুষ       যশোরে আইনজীবীর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেত্রীর শ্লীলতাহানির মামলা       স্বাভাবিক জীবনে আসা বনদস্যুদের মাঝে র‌্যাবের ঈদ সামগ্রী বিতরণ       ঘুমন্ত মায়ের কোল থেকে শিশু চুরির অভিযোগ    
 


চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদান রাখায় ডাঃ প্রভাতের দখিনা পদক লাভ

পাইকগাছার জনপ্রিয় চিকিৎসক ও প্রাক্তন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রভাত কুমার দাশ দখিনা পদক লাভ করেছেন। চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতি স্মরূপ গত শনিবার মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বসতবাড়ী সাগরদাড়ীতে খুলনার ঐতিহ্যবাহী জন ও সমাজকল্যাণমূলক সংগঠন দখিনার পারিবারিক মিলনমেলা ও দখিনা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রভাত কুমার দাশকে এ পদক প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলর কাটীপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ডা: প্রভাত কুমার দাশ তার পিতার নাম- মৃ: মনোরঞ্জন দাশ, মাতার নাম লক্ষী রাণী দাশ। তিনি-বাবা-মায়ের দ্বিতীয় সন্তান। ১৯৫৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী আমাদি গ্রামে মামার বাড়িতে জন্ম গ্রহণ করেন ডা: প্রভাত কুমার দাশ। তার শিক্ষা জীবন শুরু হয় রাড়–লী গ্রামের আক্কাজ পন্ডিতের পাঠশালায়। এর পর রাড়–লী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী, স্যার আাচার্য প্রফুল্ল চন্দ্রের প্রতিষ্ঠিত আর.কে.বি.কে হরিশচন্দ্র ইনস্টিটিউশন থেকে ১৯৭৬ সালে প্রথম বিভাগে এস.এস.সি, ১৯৭৯ সালে বি.এল কলেজ থেকে প্রথমবিভাগে এইস.এস.সি, ১৯৮৫ সালে বরিশালের শের ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এম.বি.বি.এস. পাস করেন। ডাক্তারী পাস করে তিনি তার ঠাকুর দাদার ইচ্ছে পূরণের জন্য ও মুক্তিযোদ্ধা ও তৎকালিন ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ এর অনুপ্রেরনায় নিজ এলাকায় স্বাস্থ্য সেবায় নিয়জিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৮৮ সালে তিনি মেডিকেল অফিসার হিসেবে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় যোগদান করেন। চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে তিনি গাইনী ও প্রসুতি বিদ্যার ওপর প্রশিক্ষন গ্রহণ করেন। পরবর্তিতে তালা, ডুমুরিয়া, কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলায় সুনামের সহিত সরকারি চাকুরি করেন। ২০১৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এ পর্যস্ত তিনি কমপক্ষে লক্ষাধীক গর্ভবতী ও প্রসুতি মায়েদের সেবা দিয়েছেন। কর্মময় জীবনে তিনি হাসপাতালকে মন্দির ও রোগীদের দেবতা তুল্য মনে করতেন। অনেকেই তাকে হাসপাতালের পুরহিত মনে করতেন। এলাকায় তার যথেষ্ঠ সুনাম রয়েছে। চিকিৎসার জন্য তিনি মানুষের কাছে অতিপ্রিয় এবাং আস্থাভাজন ব্যক্তি। চিকিৎসা সেবাই বিশেষ অবদান রাখায় এলাকাবাসির পক্ষথেকে তাকে আজীবন সম্মাননা প্রদান এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির আজিবন সদস্য নির্বাচিত করে সম্মানিত করা হয়। তিনি বাকি জীবন এলাকার মানুষের সেবা করে যেতে চান।


Top