কারাগারে থাকা গুদাম রক্ষক কামরুজ্জামানের জামিন না মঞ্জুর

খুলনার চিত্র ডেস্কঃ
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২০

সোনালী ব্যাংকের ১২৬ কোটি টাকা আত্মসাত মামলা

নগরীর সোনালী ব্যাংকের ১২৬ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলার অন্যতম আসামি কারাগারে থাকা গুদাম রক্ষক মোঃ কামরুজ্জামানের জামিন না মঞ্জুর করেছে আদালত। গতকাল সোমবার মহানগর সিনিয়র বিশেষ আদালতে (দায়রা জজ আদালত) তিনি জামিনের আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে বিচারক মোঃ শহীদুল ইসলাম তার জামিন না মঞ্জুর করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি অ্যাডভোকেট খন্দকার মজিবর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

জানা যায়, ব্যাংকের অনুকূলে মর্টগেজ করা গোডাউন থেকে প্লেজ করা মালামাল অন্যত্র সরিয়ে ফেলতে সহায়তা করেন কামরুজ্জামান। একই সাথে এ দুর্নীতিতে জড়িত ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে যোগসূত্র হিসেবে কাজ করেছেন। মামলার মূল এজাহারে তার নাম না থাকলেও তদন্তের পর আদালতে দেওয়া দুদকের অভিযোগপত্রে তার নাম বেরিয়ে আসে। এই মামলার প্রধান আসামি মেসার্স সোনালী জুট মিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এসএম এমদাদুল হোসেন পলাতক রয়েছেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক নেপাল চন্দ্র সাহা, খুলনা করপোরেট শাখার সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক সমীর কুমার দেবনাথ, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার শেখ তৈয়াবুর রহমান ও সহকারী কর্মকর্তা কাজী হাবিবুর রহমান।

দুদক পিপি অ্যাডভোকেট খন্দকার মজিবর রহমান জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চার্জশিট জমা দেয়ার আগে আসামি নেপাল চন্দ্র সাহা, সমীর কুমার দেবনাথ, শেখ তৈয়াবুর রহমান ও কাজী হাবিবুর রহমান সিএমএম আদালত থেকে জামিন নেন। চার্জশিট জমা দেয়ার পরে গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর ওই ৪ জন মহানগর সিনিয়র বিশেষ আদালতে জামিন নিতে এলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। এর মধ্যে দুজন উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছে এবং বাকি দু’জন কারাগারে রয়েছে। সোমবার কারাগারে থাকা গুদাম রক্ষক মোঃ কামরুজ্জামানের জামিন না মঞ্জুর করেছে আদালত।

জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে তিন দফায় ব্যাংক থেকে ৮৫ কোটি ৮০ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৪ টাকা ঋণ নিয়ে কোনো মালামাল না কিনে টাকা আত্মসাৎ করেন। এতে সরকারের সুদ-আসলে মোট ১২৬ কোটি ৮২ লাখ ৯৩ হাজার ২৮২ টাকার আর্থিক ক্ষতিসাধন হয়েছে। এ ঘটনায় ২০১৭ সালে খানজাহান আলী থানায় মামলা দায়ের করে দুদক।

সংশ্লিষ্ঠ আরও খবর