শিরোনাম
নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত : বিএনপিকে নিষেধাজ্ঞা কেন দেওয়া হচ্ছে না, প্রশ্ন ওবায়দুল কাদেরের মালয়েশিয়ায় ভবন ধসে ৩ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু, নিখোঁজ ৪ সারা দেশে ১৫৯ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ৪২৮ টহল দল মোতায়েন পাবনায় অবরোধের সমর্থনে বিএনপির মিছিল বাংলাদেশের চেয়ে ২৩২ রানে পিছিয়ে বিরতিতে নিউজিল্যান্ড কয়রায় পুকুর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি খোকনের ওপর হামলা, পিটিয়ে পুলিশে দিলো ছাত্রলীগ নড়াইল ১ আসন : আ.লীগ প্রার্থীর স্ত্রী নিলেন স্বতন্ত্র মনোনয়ন নগর আ’লীগের বর্ধিক সভায় দুই নেতার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দিনের শুরুতে বাংলাদেশের জোড়া সাফল্য

অনিয়মের অভিযোগে দুই ইউপি চেয়ারম্যানসহ সাময়িক বহিষ্কার ৩

খুলনার চিত্র ডেস্কঃ
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় গৃহ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে দুই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

উপজেলার বাঁকা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের প্রধান, হাসাদাহ ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম বিশ্বাস এবং ওই ইউনিয়নের সদস্য সোহেল রানা শ্যামলকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

দুর্যোগ সহনীয় গৃহ নির্মাণে উপকারভোগীদের কাছ থেকে নানা ধরনের সুবিধা আদায়ের অভিযোগসহ হুমকি-ধামকি দিয়ে অর্থ আদায় ও লাঞ্চিত করার অভিযোগের সত্যতা পেয়ে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে এ বহিষ্কার করা হয়।

বুধবার তাদের বহিষ্কার আদেশের চিঠি জীবননগর ইউএনওর কার্যালয়ে পৌঁছায়।

জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম মুনিম লিংকন বলেছেন, বিকেলে তিনি স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত সাময়িক বহিষ্কার আদেশের চিঠিটি হাতে পেয়েছেন।

জানা যায়, ২০১৮ সালের নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদের প্রধান বাঁকা ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রবিউল ইসলাম বিশ্বাস হাসাদাহ ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। চলতি বছরে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে হতদরিদ্র মানুষদের দুর্যোগ সহনীয় গৃহ প্রকল্প গ্রহণ করে। বাঁকা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের প্রধান ও হাসাদাহ ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম ইউপি সদস্য সোহেল রানা শ্যামলকে নিয়ে এ গৃহ নির্মাণকালে অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়ান। এসময় তারা ওইসব হতদরিদ্র মানুষের কাছ থেকে নানাভাবে অর্থ হাতিয়ে নেন এবং অর্থ না দিলে তাদের হুমকি-ধামকি প্রদানসহ ইউপি কার্যালয়ে ডেকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেন।

ভুক্তভোগীরা এ নিয়ে প্রশাসনসহ মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করেন। তৎকালীন ইউএনও সিরাজুল ইসলাম অভিযোগের তদন্ত করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় হতে তাদের বিরুদ্ধে সাময়িক বহিষ্কারের আদেশ জারি করা হয়। ১০ কার্যদিবসের মধ্যে কেন তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তা মন্ত্রণালয় জানতে চেয়েছে।

সংশ্লিষ্ঠ আরও খবর